Class Notes - 14/05/2024 (HRP -2024-X -A)

Class -X
Class – 14/05/2024

Subject:-Life science 


1. ইতর পরাগযোগ কাকে বলে ?
উত্তর – কোনা ফুলের পরাগরেণু একই প্রজাতির অন্য গাছের ফুলের  গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হলে তাকে ইতর পরাগযােগ বলে।
2. ইতর পরাগযোগ এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলি লেখ 
উত্তর - ইতর পরাগযোগের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি হল 
ইতর পরাগযোগের সুবিধা :
(i) সবল বংশধর সৃষ্টি হয়।
(ii) নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যুক্ত উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
(iii) বীজের অঙ্কুরণ ক্ষমতা হার অনেক বেশি।
(iv) নতুন উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি।
(v) নতুন পরিবেশে বেঁচে থাকার ক্ষমতা অর্জন করে।
(vi) নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়।
ইতর পরাগযোগের অসুবিধা:
(i) বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় বলে পরাগযোগ অনিশ্চিত বলা যায়।
(ii) পরাগরেণুর অপচয় ঘটে।
(iii) প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হয় অর্থাৎ একই গুণসম্পন্ন অপত্য উদ্ভিদ সংগ্রহ করা যায় না।
(iv) বাহকের অভাবে অনেক সময় বংশ বিস্তারে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।
3. বৃদ্ধি কাকে বলে ?
উত্তর - নতুন কোশীয় পদার্থ সংশ্লেষের ফলে জীবদেহের বা জীবকোশের আকার, আয়তন বা ভরের স্থায়ীভাবে বেড়ে যাওয়াকে, বিশেষ করে শুষ্ক ওজন বেড়ে যাওয়াকে বৃদ্ধি বলে।
4. বিকাশ বা পরিস্ফুটরণ কাকে বলে?
উত্তর - বৃদ্ধির যে পর্যায়ে একটি কোশ থেকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গবিশিষ্ট বহুকোশী জীবদেহ গঠিত হয় তাকে বিকাশ বা পরিস্ফুরণ (Development) বলে।
5.বিকাশের দশা কয়টি? ও কি কি
উত্তর - বহুকোশী জীবদেহের বিকাশ সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -১.কোষ বিভাজন২. কোষের আকার ৩.বৃদ্ধি কোষের বিভেদন ।
Subject:- Physical Science

1.সমযোজী যৌগ কাকে বলে? উদাহরণ দাও
উত্তর -  নিকটতম নিষ্ক্রিয় মৌলের পরমাণুর মতো ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের জন্য রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু এক বা একাধিক ইলেকট্রন জোড় সমভাবে ব্যবহার করে, যে সব যৌগ গঠন করে, সেই সব যৌগকে সমযোজী যৌগ বলে । 
যেমন - জল মিথেন ইত্যাদি ।
 2.সমযোজী যৌগ গুলির বৈশিষ্ট্য লেখ 
উত্তর - সমাজে যে যৌগ গুলির বৈশিষ্ট্য হল - 1.সাধারণ চাপ ও তাপমাত্রায় সমযোজী যৌগগুলি প্রধানত গ্যাসীয়, তরল বা নরম কঠিন হয়। 2.সমযোজী যৌগের গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক অপেক্ষাকৃত কম। 3.সমযোজী যৌগ সাধারণত ধ্রুবীয় দ্রাবকে (জল) দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু অধুবীয় দ্রাবকে (ক্লোরোফর্ম, বেঞ্জিন ইত্যাদি) দ্রবীভূত হয়। 4.গলিত বা দ্রবীভূত বা যে-কোনো অবস্থায় এটি আয়নিত হয় না এবং তড়িৎ পরিবহণ করে না। এরা তড়িৎ অবিশ্লেষ্য ।
3. সমযোজী বন্ধন কাকে বলে ?
উত্তর - নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো সুস্থির ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের জন্য সমান বা প্রায় সমান তড়িৎ ঋণাত্মকতা সম্পন্ন একই অথবা ভিন্ন মৌলের দুটি পরমাণুর সর্ববহিস্থ কক্ষের বিজোড় ইলেকট্রনগুলির মিলনে গঠিত এক বা একাধিক ইলেকট্রন জোড়কে সমভাবে ব্যবহারের ফলে সংশ্লিষ্ট পরমাণু দুটি যে রাসায়নিক বন্ধন গঠন করে তাকে সমযোজী বন্ধন বলে।
4. সমযোজ্যতা কাকে বলে ?
উত্তর - নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের সুস্থিত ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের চেষ্টায় দুটি পরমাণু তাদের যোজ্যতা কক্ষের অযুগ্ম ইলেকট্রনগুলির মিলনে গঠিত এক বা একাধিক ইলেকট্রন জোড় সমভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে রাসায়নিকভাবে মিলিত হওয়ার যে ক্ষমতা লাভ করে, তাকে সমযোজ্যতা বলে।
5. লুইস ডট গঠন বা ইলেকট্রন ডট গঠন কি ?
উত্তর - ইলেকট্রনকে বিন্দু (dot) দিয়ে অথবা ছোটো ব্রুস (×) দিয়ে চিহ্নিত করে সমযোজী বন্ধনসহ যৌগের গঠনকে যেভাবে প্রকাশ করা হয়, তাকে লুইস ডট গঠন বা ইলেকট্রন ডট গঠন বলে। লুইস ডট গঠনে যোজ্যতা কক্ষের ইলেকট্রনগুলিকেই দেখানো হয়।

PDF DOWNLOAD CLICK HERE